ইরান–যুক্তরাষ্ট্র পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ, তবে “আমেরিকা ভয় পেয়ে গেছে” বলা সরাসরি প্রমাণিত তথ্য নয়। আজ ২৫ অক্টোবরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ:
ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আবার হামলা করলে এবারও পাল্টা জবাব দেবে এবং কোনো মার্কিন হামলা জবাবহীন থাকবে না।
ইরানের পক্ষ থেকে এমন হুমকিও এসেছে যে নতুন করে US–Israel হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল স্থাপনা, সমুদ্রের অবকাঠামো, ডেটা সেন্টার ও AI অবকাঠামো পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রও ঝুঁকিটিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে মার্কিন নাগরিক ও কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইরানি হামলার পরিকল্পনা “advanced stages”-এ পৌঁছেছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
একই সময়ে ইরান আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ করেনি। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় Hormuz প্রণালী পুনরায় খোলা এবং মার্কিন নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে আলোচনা নিয়ে প্রস্তাবের কথা এসেছে—যদিও ইরানের বিভিন্ন সূত্রের বক্তব্যে এ বিষয়ে অসঙ্গতি আছে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: ট্রাম্প ২৫ অক্টোবর বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র রোববারের মধ্যেই ইরানে হামলা করতে পারে অথবা বড় কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে—অর্থাৎ সামরিক সংঘর্ষ ও কূটনীতি দুটো পথই এখন খোলা রয়েছে।
সুতরাং “ইরানের চরম সিদ্ধান্ত” বলতে যদি নতুন করে US/Israel হামলা হলে সরাসরি পাল্টা আঘাতের প্রস্তুতি এবং Gulf-এর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে সম্ভাব্য লক্ষ্য করার হুমকিকে বোঝানো হয়, সেটি সত্যিই পরিস্থিতিকে অনেক বেশি বিপজ্জনক করে তুলেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র “ভয়ে পিছিয়ে গেছে”—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার মতো প্রমাণ নেই; বরং Washington একই সঙ্গে সামরিক প্রস্তুতি এবং আলোচনার চাপ—দুটিই বজায় রেখেছে।